logo
জাগপা

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

গঠনতন্ত্র

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি - জাগপা

ধারা ০১মৌলিক পরিচিতি

১. নাম:

এই দলের নাম হবে “জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি”। দলটির নাম ইংরেজিতে অনুদিত হবে না, বরং মূল বাংলা নামটিই ইংরেজি বর্ণমালায় “Jatiya Ganatantrik Party” হিসেবে লিখিত হবে। সংক্ষেপে এই দল বাংলায় “জাগপা” এবং ইংরেজিতে “JAGPA” নামে অভিহিত হবে।

ধারা ০২সদর দফতর

২. কেন্দ্রীয় কার্যালয়:

এই দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় তথা সদর দফতর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত হবে। কেন্দ্রীয় কার্যালয় সার্বিকভাবে দলীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। কার্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পদবি, দায়-দায়িত্ব এবং ক্ষমতা দলীয় সভাপতি নির্ধারণ করবেন।

ধারা ০৩আদর্শ ও ভিশন

৩. মূলনীতি ও লক্ষ্য:

“সকল প্রকার আধিপত্যবাদের অবসান ঘটিয়ে মানবিকতা ও ইনসাফভিত্তিক এমন এক বাংলাদেশ বিনির্মাণ, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের প্রকৃত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হবে।”
ক)

ঐতিহাসিক মুক্তি সংগ্রামের মহান অর্জন বাংলাদেশের প্রকৃত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং এই লক্ষ্য অর্জনে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে সচেতন ও সুসংগঠিত করা।

খ)

স্বাধীন জাতির ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনে কেবল ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা নয়, বরং নাগরিকদের অর্থবহ জীবন-জীবিকা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে গণতন্ত্রের ভিত্তিকে সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করা।

গ)

ইসলামী মূল্যবোধকে ধারণ এবং একই সাথে পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মাবলম্বীদের সমন্বয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন করা।

ঘ)

দুর্নীতি দমন, শোষিত-বঞ্চিত জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন এবং ইনসাফভিত্তিক স্বনির্ভর স্বদেশ গড়ে তোলা।

ধারা ০৪জাতীয় ও দলীয় প্রতীকায়ন

৪. দলীয় পতাকা:

ক) গাঢ় সবুজ জমিনের ওপরের বাম কোণে একটি বড় লাল তারকা এবং সেটিকে ঘিরে আনুপাতিক হারে তিনটি ছোট লাল তারকা বিদ্যমান থাকবে। বড় লাল তারকাটি জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। অপর তিনটি ছোট লাল তারকা যথাক্রমে—গণতন্ত্র, ইসলামী মূল্যবোধ ও ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ইনসাফভিত্তিক স্বনির্ভর স্বদেশের প্রতীক।

খ) দলীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের প্রমিত অনুপাত হবে ১০:৬ (অথবা ৫:৩)।

গ) ব্যবহারের ক্ষেত্রভেদে নির্ধারিত পরিমাপসমূহ:
ব্যবহারের ক্ষেত্রনির্ধারিত প্রমিত পরিমাপ
ভবনে ব্যবহারের জন্য (বড়)১০ ফুট × ৬ ফুট
ভবনে ব্যবহারের জন্য (ছোট)২.৫ ফুট × ১.৫ ফুট
মোটরগাড়িতে/যানবাহনে ব্যবহারের জন্য (বড়)১৫ ইঞ্চি × ৯ ইঞ্চি
মোটরগাড়িতে/যানবাহনে ব্যবহারের জন্য (ছোট)৯ ইঞ্চি × ৫.৪ ইঞ্চি
টেবিলে ব্যবহারের জন্য (ডেস্ক ফ্ল্যাগ)১০ ইঞ্চি × ৬ ইঞ্চি
ধারা ০৫দলীয় সংগীত

৫. দলীয় সঙ্গীত:

ক) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বিখ্যাত কবিতা “কান্ডারী হুঁশিয়ার” এই দলের দলীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হবে।

খ) উক্ত কবিতার প্রথম ১০ (দশ) লাইন দলীয় সকল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে দলীয় সঙ্গীত হিসেবে পরিবেশিত হবে।

ধারা ০৬সদস্যপদ

৬. সদস্যপদের যোগ্যতা:

  • ক) দলের মূলনীতি, আদর্শ ও লক্ষ্যের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সমর্থন থাকতে হবে এবং তা মেনে চলার অঙ্গীকার করতে হবে।
  • খ) ১৮ (আঠারো) বছর বা ততোধিক বয়সের বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিক দলের সদস্যপদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
  • গ) নির্ধারিত আবেদন ফরমে সঠিক তথ্য প্রদানপূর্বক সদস্যপদের জন্য আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
ধারা ০৭সীমাবদ্ধতা

৭. সদস্যপদের অযোগ্যতা:

  • ক) আবেদনকারী বাংলাদেশের আইনানুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক বা বৈধ নাগরিক না হলে।
  • খ) বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী, সশস্ত্র ও গোপন রাজনীতিতে বিশ্বাসী অথবা চিহ্নিত সমাজবিরোধী ও গণবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ব্যক্তি।
  • গ) অন্য কোনো রাজনৈতিক দল কিংবা তার সহযোগী বা অঙ্গ সংগঠনের কোনো পদে বা প্রাথমিক সদস্য হিসেবে বহাল থাকলে।
ধারা ০৮শৃঙ্খলা বিধি

৮. সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা:

অসদাচরণ, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা দলের নীতি ও আদর্শবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দলীয় সভাপতি যেকোনো সদস্যের বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন:

ক) প্রাথমিক ও চূড়ান্ত সদস্যপদ বাতিল করতে পারবেন।

খ) সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারবেন।

গ) অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় যেকোনো প্রশাসনিক বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।

ঘ) উপযুক্ত ও সন্তোষজনক বিবেচনায় পূর্বে গৃহীত যেকোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে পারবেন।

ঙ) শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনবোধে অভিযুক্ত সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান কিংবা ব্যক্তিগত শুনানির সুযোগ প্রদান করতে পারবেন।

ধারা ০৯পদত্যাগ

৯. সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ:

ক) যেকোনো সদস্য যেকোনো সময় দলের সভাপতি বরাবর লিখিত পত্রের মাধ্যমে দল থেকে পদত্যাগ করতে পারবেন।

খ) পদত্যাগপত্র দলীয় সভাপতি কর্তৃক গৃহীত হওয়া সাপেক্ষে তা কার্যকর বলে গণ্য হবে।

গ) কোনো দলীয় পদবীপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যদি কেবল তাঁর পদ থেকে অব্যাহতি চান, তবে পদের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখপূর্বক সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদন করতে হবে। অন্যথায় পদত্যাগের সাথে সাথে প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল বলে গণ্য হবে।

ধারা ১০স্তরায়ন

১০. সাংগঠনিক কাঠামো:

দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিম্নোক্ত স্তরভিত্তিক কমিটিসমূহ গঠিত হবে:

ক) ওয়ার্ড কমিটি (ওয়ার্ড)
খ) ইউনিয়ন কমিটি
গ) উপজেলা / পৌরসভা / থানা
ঘ) জেলা / মহানগর কমিটি
ঙ) কেন্দ্রীয় কমিটি
চ) প্রেসিডিয়াম কমিটি
ছ) উপদেষ্টা কমিটি
ধারা ১১কমিটি গঠন পদ্ধতি

১১. কমিটি গঠন পদ্ধতি:

ক) ওয়ার্ড কমিটিঃ

ন্যূনতম ১১ (এগারো) জন প্রাথমিক সদস্য নিয়ে ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা যাবে। এ কমিটিতে একজন সভাপতি, দুইজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন অর্থ সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক ও একজন দপ্তর সম্পাদক থাকবেন এবং অবশিষ্ট সদস্যগণ কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। ওয়ার্ড কমিটিতে সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রয়োজন ও যোগ্যতা বিবেচনায় অন্যান্য প্রয়োজনীয় সম্পাদকীয় পদ সৃষ্টি ও অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।

খ) ইউনিয়ন কমিটিঃ

ন্যূনতম ১৫ (পনেরো) জন প্রাথমিক সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা যাবে। এ কমিটিতে একজন সভাপতি, দুইজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, দুইজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন অর্থ সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক ও একজন দপ্তর সম্পাদক থাকবেন এবং অবশিষ্ট সদস্যগণ কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। ইউনিয়ন কমিটিতে সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রয়োজন ও যোগ্যতা বিবেচনায় অন্যান্য প্রয়োজনীয় সম্পাদকীয় পদ সৃষ্টি ও অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।

গ) উপজেলা / পৌরসভা / থানা কমিটিঃ

ন্যূনতম ২১ (একুশ) জন প্রাথমিক সদস্য নিয়ে উপজেলা, পৌরসভা বা থানা কমিটি গঠন করা যাবে। এ কমিটিতে একজন সভাপতি, তিনজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, তিনজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন অর্থ সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক ও একজন দপ্তর সম্পাদক থাকবেন এবং অবশিষ্ট সদস্যগণ কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক এলাকায় সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রয়োজন ও যোগ্যতা বিবেচনায় অন্যান্য প্রয়োজনীয় সম্পাদকীয় পদ সৃষ্টি ও অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।

ঘ) জেলা / মহানগর কমিটিঃ

ন্যূনতম ৩১ (একত্রিশ) জন প্রাথমিক সদস্য নিয়ে জেলা বা মহানগর কমিটি গঠন করা যাবে। এ কমিটিতে একজন সভাপতি, তিনজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, তিনজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন অর্থ সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক, একজন সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক, একজন কৃষি বিষয়ক সম্পাদক, একজন যুব বিষয়ক সম্পাদক, একজন নারী বিষয়ক সম্পাদক, একজন ছাত্র ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, একজন ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, একজন শ্রম বিষয়ক সম্পাদক থাকবেন এবং অবশিষ্ট সদস্যগণ কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। সংশ্লিষ্ট জেলা বা মহানগরী এলাকায় সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রয়োজন ও যোগ্যতা বিবেচনায় অন্যান্য প্রয়োজনীয় সম্পাদকীয় পদ সৃষ্টি ও অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।

ঙ) কেন্দ্রীয় কমিটিঃ

কেন্দ্রীয় কমিটি দ্বি-স্তরবিশিষ্ট হবে। দলের সভাপতিকে সর্বাত্মক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে পদধারী ৪১ (একচল্লিশ) সদস্যবিশিষ্ট প্রথম স্তর গঠিত হবে। সকল জেলা ও মহানগরের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক সংশ্লিষ্ট এলাকার সাংগঠনিক পদাধিকারবলে কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিতীয় স্তরে সম্মানিত সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। দলের সভাপতি প্রয়োজন ও যোগ্যতা বিবেচনায় অন্যান্য প্রয়োজনীয় সম্পাদকীয় পদ সৃষ্টি ও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।

দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম স্তর নিম্নরূপ হবে:

সভাপতি ১ জন
১ নং (সিনিয়র) সহ-সভাপতি ১ জন
সহ-সভাপতি ৮ জন
সাধারণ সম্পাদক ১ জন
১ নং (সিনিয়র) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ১ জন
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৮ জন
সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ জন
অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
প্রচার বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
সংস্কৃতি ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
যুব বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
নারী বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
ছাত্র ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
গণসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন

চ) প্রেসিডিয়াম কমিটিঃ

দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা হিসেবে ১১ (এগারো) সদস্যবিশিষ্ট প্রেসিডিয়াম কমিটি গঠিত হবে। দলের সভাপতি, ১ নং (সিনিয়র) সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং ১ নং (সিনিয়র) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদাধিকারবলে প্রেসিডিয়াম কমিটির সদস্য হবেন। অবশিষ্ট ৭ (সাত) জন সদস্য দলের সভাপতি কর্তৃক মনোনীত/নির্ধারিত হবেন।

ছ) উপদেষ্টা কমিটিঃ

দলের নীতি-নির্ধারণ, পরিচালনা ও কৌশলগত বিষয়ে দলকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদানের জন্য একটি উপদেষ্টা কমিটি থাকবে। এই কমিটির সদস্যগণ দলীয় সভাপতি কর্তৃক মনোনীত হবেন এবং তারা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতির পদমর্যাদা লাভ করবেন।

ধারা ১২তদারকি ও মেয়াদ

১২. কমিটির তদারকি, জবাবদিহিতা, নির্বাচন, অনুমোদন ও মেয়াদ:

ক) ধারা ১০-এ উল্লিখিত কমিটিসমূহের ক্ষেত্রে উচ্চতর পর্যায়সমূহ তাদের অধস্তন কমিটির কার্যক্রম তদারকি করবে এবং অধস্তন কমিটিসমূহ তাদের কার্যক্রমের জন্য উচ্চতর কমিটির নিকট জবাবদিহি করবে। উল্লেখ্য, ক্ষমতার অনুক্রম অনুযায়ী ‘চ’ (প্রেসিডিয়াম কমিটি) সর্বোচ্চ এবং ‘ক’ (ওয়ার্ড কমিটি) প্রাথমিক স্তর হিসেবে গণ্য হবে।

খ) ধারা ১০-এ উল্লিখিত ‘ক’ থেকে ‘ঙ’ পর্যন্ত কমিটিসমূহের অনুমোদন তাদের ঠিক উচ্চতর প্রশাসনিক কমিটি প্রদান করবে। অনুমোদনের পূর্বে পুরো কমিটি কিংবা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ নির্বাচনের মাধ্যমে নাকি সমঝোতা/আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে, তা সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে উচ্চতর কমিটি নির্ধারণ করবে।

গ) ধারা ১০-এ উল্লিখিত ‘ঙ’ অর্থাৎ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, ১ নং (সিনিয়র) সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং ১ নং (সিনিয়র) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক—এই ৪টি পদ অবশ্যই জাতীয় কাউন্সিলের ডেলিগেট/কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। কোনো পদে একাধিক প্রার্থী না থাকলে, একক প্রার্থী কাউন্সিলরদের ভোট ব্যতিরেকেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত বলে গণ্য হবেন। নবনির্বাচিত সভাপতি, ১ নং (সিনিয়র) সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং ১ নং (সিনিয়র) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটির অবশিষ্টাংশ ৩৭টি পদের উপযুক্ত নেতৃত্ব মনোনীত/নির্বাচন করবেন।

ঘ) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, ১ নং (সিনিয়র) সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং ১ নং (সিনিয়র) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক—এই ৪টি শীর্ষ পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য পূর্ববর্তী কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম স্তর অথবা প্রেসিডিয়াম কমিটির সদস্য হতে হবে। জাতীয় কাউন্সিলের ডেলিগেট/সদস্য হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন উপদেষ্টা কমিটি, প্রেসিডিয়াম কমিটি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরের সদস্যবৃন্দ।

ঙ) দলের সর্বস্তরের কমিটিতে নারী নেতৃত্বের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও প্রাধান্য নিশ্চিত করতে হবে এবং ক্রমান্বয়ে ন্যূনতম ৩৩% (তেত্রিশ শতাংশ) পদ নারী প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত রাখতে হবে।

চ) ধারা ১০-এ উল্লিখিত ‘ক’ থেকে ‘ছ’ পর্যন্ত গঠিত সকল কমিটির মেয়াদ হবে ৩ (তিন) বছর।

ধারা ১৩বিশেষ পদ

১৩. বিশেষ কমিটি / উপকমিটি / বিশেষ পদ:

ক) সংগঠনের সার্বিক প্রয়োজনে দলের সভাপতি দলীয় পদধারী নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ কমিটি অথবা উপকমিটি গঠন করতে পারবেন।

খ) সংগঠনের স্বার্থে ও গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দলের সভাপতি স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি মেয়াদে দলীয় পদধারী যেকোনো নেতাকে বিভাগীয় অথবা অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্ব প্রদান করতে পারবেন।

গ) দলীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার সুবিধার্থে দলীয় সভাপতি প্রয়োজনবোধে তাঁর 'বিশেষ সহকারী' নিযুক্ত করতে পারবেন। বিশেষ সহকারীদের সংখ্যা এবং দলে তাঁদের সাংগঠনিক মর্যাদা দলের সভাপতি নির্ধারণ করবেন।

ধারা ১৪শৃঙ্খলা

১৪. নেতৃত্বদানে এক পদ (এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি):

ক) ধারা ১০-এ উল্লিখিত ‘ক’ থেকে ‘ছ’ পর্যন্ত গঠিত কমিটিসমূহের মধ্যে কোনো ব্যক্তি একাধারে একাধিক পদে আসীন থাকতে পারবেন না। অর্থাৎ, একজন নেতা যেকোনো স্তরের একটিমাত্র কমিটির একটিমাত্র পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

খ) তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চতর পর্যায় যেমন—কেন্দ্রীয় কমিটি অথবা প্রেসিডিয়াম কমিটির কোনো সদস্য চাইলে তাঁর নিজ জেলা, মহানগর, উপজেলা বা থানা পর্যায়ের কমিটিতে সাধারণ/সম্মানিত সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারবেন; তবে কোনোক্রমেই তিনি উক্ত অধস্তন কমিটির কোনো নির্বাহী বা গুরুত্বপূর্ণ দলীয় পদবি ধারণ করতে পারবেন না।

ধারা ১৫সভা ও কোরাম

১৫. সভা, নোটিশ ও কোরাম:

ক) জাতীয় কাউন্সিল:

দলের সাধারণ সম্পাদক সভাপতির অনুমোদনক্রমে জাতীয় কাউন্সিলের সভা আহ্বান করবেন। সুস্পষ্ট ন্যূনতম ১৫ (পনেরো) দিনের নোটিশে প্রতি ৩ (তিন) বছরে অন্তত একবার জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। কাউন্সিলের মোট ডেলিগেট/সদস্য সংখ্যার ১/৩ (এক-তৃতীয়াংশ) সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হবে।

খ) প্রেসিডিয়াম কমিটি:

দলের সভাপতি জরুরি প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় প্রেসিডিয়াম কমিটির সভা আহ্বান করতে পারবেন। তবে প্রতি ৩ (তিন) মাসে অন্তত একবার প্রেসিডিয়াম কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়া আবশ্যক। কমিটির বিদ্যমান মোট সদস্য সংখ্যার ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হবে।

গ) কেন্দ্রীয় কমিটি:

দলের সাধারণ সম্পাদক সভাপতির অনুমোদনক্রমে কেন্দ্রীয় কমিটির সভা আহ্বান করবেন।

• সুস্পষ্ট ন্যূনতম ৭ (সাত) দিনের নোটিশে প্রতি ৬ (ছয়) মাসে অন্তত একবার কেন্দ্রীয় কমিটির ৪১ (একচল্লিশ) সদস্যবিশিষ্ট প্রথম স্তরের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। জরুরি সভার ক্ষেত্রে ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘণ্টার নোটিশই যথেষ্ট হবে।

• সুস্পষ্ট ন্যূনতম ৭ (সাত) দিনের নোটিশে প্রতি বছর অন্তত একবার কেন্দ্রীয় কমিটির পূর্ণাঙ্গ (দ্বি-স্তরবিশিষ্ট) সভা অনুষ্ঠিত হবে।

• উভয় ক্ষেত্রেই কমিটির মোট সদস্য সংখ্যার ১/৩ (এক-তৃতীয়াংশ) সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হবে।

ঘ) অধস্তন কমিটিসমূহ (জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌরসভা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড):

সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতির অনুমোদনক্রমে সাধারণ সম্পাদক প্রয়োজন অনুযায়ী সভা আহ্বান করবেন। সংশ্লিষ্ট কমিটির মোট সদস্য সংখ্যার ১/৩ (এক-তৃতীয়াংশ) সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হবে।

ধারা ১৬জরুরি অবস্থা

১৬. কেন্দ্রীয় কমিটির জরুরি অবস্থা ও পদ শূন্যতা:

ক) দলীয় সভাপতি মৃত্যুবরণ করলে, গুরুতর অসুস্থতার কারণে অপারগতা প্রকাশ করলে অথবা পদত্যাগ করলে ১ নং (সিনিয়র) সহ-সভাপতি তাৎক্ষণিকভাবে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

খ) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দায়িত্ব গ্রহণের ৩ (তিন) মাসের মধ্যে বিশেষ কাউন্সিল আয়োজন করবেন। কাউন্সিলের মোট ডেলিগেট/সদস্য সংখ্যার ১/৩ (এক-তৃতীয়াংশ) সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হবে।

গ) কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম স্তর এবং প্রেসিডিয়াম কমিটির কোনো সদস্য উক্ত বিশেষ কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রার্থী না হলে, ভারপ্রাপ্ত সভাপতিই পূর্ণাঙ্গ সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। যদি অন্য কোনো বৈধ প্রার্থী থাকেন, তবে বিশেষ কাউন্সিলে ভোটাভুটির মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

ঘ) বিশেষ কাউন্সিলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতির মেয়াদ হবে পরবর্তী নিয়মিত জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত (অর্থাৎ মেয়াদের অবশিষ্টাংশ সময়কাল)।

ঙ) সাধারণ সম্পাদকের পদ শূন্য হওয়ার ক্ষেত্রেও ধারা ১৬-এর (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) উপ-ধারা প্রযোজ্য হবে। সেক্ষেত্রে ১ নং (সিনিয়র) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।

চ) জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ব্যতীত অন্য যেকোনো সম্পাদকীয় বা কার্যনির্বাহী পদ শূন্য হলে, দলের সভাপতি তা পূরণ করবেন।

ধারা ১৭অনাস্থা

১৭. সভাপতি অপসারণ:

জাতীয় কাউন্সিলের মোট ডেলিগেট/সদস্য সংখ্যার ন্যূনতম ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্য দলীয় সভাপতির ওপর লিখিত অনাস্থা প্রস্তাব জ্ঞাপন করলে, সাধারণ সম্পাদক বিশেষ কাউন্সিল/সভা আহ্বান করবেন। উক্ত বিশেষ সভায় জাতীয় কাউন্সিলের মোট ডেলিগেট/সদস্য সংখ্যার ৩/৪ (তিন-চতুর্থাংশ) সদস্যের উপস্থিতি ও ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সভাপতিকে অপসারণের পক্ষে সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে দলীয় সভাপতিকে পদ থেকে অপসারণ করা যাবে।

ধারা ১৮আন্তর্জাতিক

১৮. প্রবাসী সংগঠন:

ক) প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে যাঁরা দলের নীতি, আদর্শ, উদ্দেশ্য ও কর্মসূচিতে বিশ্বাস করেন, তাঁরা যেসব দেশে স্থায়ী কিংবা অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, সেসব দেশের প্রচলিত আইন মেনে সংগঠন প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করতে পারবেন।

খ) তবে প্রবাসে দলের নাম ও পরিচয় ব্যবহারের পূর্বে কেন্দ্রীয় কমিটির নিকট থেকে লিখিত অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

ধারা ১৯মনোনয়ন বোর্ড

১৯. নমিনেশন বোর্ড (মনোনয়ন বোর্ড):

ক) রাষ্ট্রের যেকোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দলের প্রার্থী চূড়ান্তকরণের কাজ করবে 'নমিনেশন বোর্ড'। নমিনেশন বোর্ডের সিদ্ধান্তই প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

খ) সংশ্লিষ্ট যেকোনো নির্বাচনের পূর্বে প্রেসিডিয়াম কমিটি দলের 'নমিনেশন বোর্ড' হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

গ) প্যানেল বিবেচনাপূর্বক দলের সভাপতি প্রয়োজনবোধে উপদেষ্টা কমিটি থেকে যেকোনো সদস্যকে নমিনেশন বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।

ধারা ২০অর্থ ও অডিট

২০. তহবিল ও অর্থ ব্যবস্থাপনা:

ক) অর্থ বিষয়ক সম্পাদক দলের তহবিল সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং আয়-ব্যয়ের যাবতীয় হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করবেন।

খ) বাংলাদেশের নিবন্ধিত যেকোনো তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংকে দলের নামে ব্যাংক হিসাব খোলা ও পরিচালনা করা যাবে। দলের সভাপতি, ১ নং (সিনিয়র) সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং অর্থ বিষয়ক সম্পাদক—এই ৪ (চার) জন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মধ্যে যেকোনো ২ (দুই) জনের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হবে। তবে শর্ত থাকে যে, যৌথ স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে অর্থ বিষয়ক সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকা বাঞ্ছনীয়।

গ) দলের সকল আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতি বছর কোনো নিবন্ধিত চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) ফার্ম কর্তৃক নিরীক্ষা (অডিট) করাতে হবে এবং অর্থবছর শেষ হওয়ার ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে উক্ত অডিট রিপোর্ট প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে।

ঘ) দলের প্রাথমিক ও বিভিন্ন স্তরের সদস্যগণের নিয়মিত চাঁদা, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের দান এবং অনুদানের মাধ্যমে দলের তহবিল গঠিত হবে।

ধারা ২১বিধানহীন ক্ষেত্র

২১. বিধানহীন ধারা:

ক) যেসকল ক্ষেত্রে এই গঠনতন্ত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান বা নির্দেশনার উল্লেখ নেই, সেসকল ক্ষেত্রে দলের প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের উদ্দেশ্যে প্রেসিডিয়াম কমিটি নতুন ধারা ও উপধারা প্রণয়ন কিংবা খসড়া তৈরি করতে পারবে।

খ) প্রেসিডিয়াম কমিটি কর্তৃক নতুন প্রণীত ধারা ও উপধারা দলের সভাপতি কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পর চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং সে মোতাবেক দলের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ধারা ২২সংশোধন

২২. গঠনতন্ত্র সংস্কার, সংশোধন ও অনুমোদন:

ক) দলের যেকোনো সদস্য গঠনতন্ত্র সংস্কার বা সংশোধনের যৌক্তিক প্রস্তাব লিখিত আকারে দলের সাধারণ সম্পাদক বরাবর পেশ করতে পারবেন।

খ) সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে প্রাপ্ত প্রস্তাবনা পর্যালোচনা সাপেক্ষে দলের প্রেসিডিয়াম কমিটি গঠনতন্ত্র সংস্কার ও সংশোধনের চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করবে।

গ) প্রেসিডিয়াম কমিটি কর্তৃক প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্র সংস্কার ও সংশোধনের খসড়া দলের সভাপতি কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পর তা চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং সে মোতাবেক দলের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ধারা ২৩অঙ্গ সংগঠন

২৩. অঙ্গ সংগঠন:

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ ও সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দলের একাধিক অঙ্গ সংগঠন থাকবে। দলের সাংগঠনিক প্রয়োজনে অঙ্গ সংগঠনের সংখ্যা বৃদ্ধি বা হ্রাস করার এখতিয়ার প্রেসিডিয়াম কমিটি ও সভাপতির থাকবে। সকল অঙ্গ সংগঠন সরাসরি মূল দলের অনুশাসন ও শৃঙ্খলার আওতায় থাকবে এবং দলের সভাপতির সার্বিক দিকনির্দেশনায় পরিচালিত হবে।

দলের অনুমোদিত অঙ্গ সংগঠনসমূহ নিম্নরূপ:

ক) যুব জাগপা
খ) শ্রমিক জাগপা
গ) মহিলা জাগপা
ধারা ২৪সহযোগী সংগঠন

২৪. সহযোগী সংগঠন:

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশায় নিয়োজিত নাগরিকবৃন্দ, যাঁরা দলের নীতি, আদর্শ, উদ্দেশ্য ও কর্মসূচীর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন এবং নিজস্ব শ্রেণি-পেশার অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য সংগঠিত হতে চান, তাঁরা দলের অনুমোদনক্রমে 'সহযোগী সংগঠন' হিসেবে কাজ করতে পারবেন। সহযোগী সংগঠনসমূহ মূল দলের আদর্শ অনুসরণ করে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

দলের অনুমোদিত সহযোগী সংগঠনসমূহ নিম্নরূপ:

ক) জাগপা ছাত্রকাফেলা
খ) স্বদেশসেবক জাগপা